খালেদার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে যা বলল পরিবার

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের দিকেই তাকিয়ে তার দল। এক্ষেত্রে পরিবারের মতামতকেই প্রাধান্য দিতে চায় দলটি। এদিকে, এ বিষয়ে এখনই কিছু বলতে চান না সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ভাই ও বোন।

নির্বাহী আদেশে চলতি বছরের ২৫

 মার্চে শর্ত সাপেক্ষে জামিন পান বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ৬ মাসের জামিনের তিন মাস পেরিয়ে গেছে। করোনা পরিস্থিতিতে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। দলের ও জোটের কয়েকজন নেতা সামনে এসেছেন হাতে গোনা কয়েকবার।

জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি সরকারি আদেশের ওপরই নির্ভরশীল বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা। পরিবারের সিদ্ধান্তের পরই নিজেদের করণীয় ঠিক করতে চান তারা।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, একজন জাতীয় নেত্রীর কোনো পরিবার নেই। গোটা বাংলাদেশই তার পরিবার। তারপরও রক্তের বন্ধন বলতে তো কিছু আছে। সে সম্পর্কের বাইরে গিয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে কিছু করতে হলে তো তাদের অনুমতির দরকার পড়ে বলে আমি মনে করি। আইনের মাধ্যমেই যেমন তাকে মুক্ত থাকার সময় দেয়া হয়েছে, সেভাবেই সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।

বিএনপির আরেক নেতা সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন বলেন, যখন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে উনি মুক্ত হলেন, আমি আশা রাখি বর্তমান সরকার প্রধান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিনটাকে স্থায়ী করবেন। আমরা তার নিঃশর্ত মুক্তি কামনা করছি।

এদিকে, শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় বেগম জিয়াকে মুক্ত করার দায়িত্ব তারা পালন করেছেন জানিয়ে জামিনের মেয়াদের বিষয়ে আর মন্তব্য করতে রাজি নয় তার পরিবার।

এ ব্যাপারে খালেদার জিয়ার বোন সেলিমা ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বড় যেহেতু, দায়িত্ব ছিল ওটাই। তাকে নিয়ে আসার। সে অসুস্থ ছিল। সেজন্য আমি করেছি। আমার দায়িত্বটুকু আমি পালন করেছি। এখন কার সাথে ডিসকাস করবে কি করবে না, তা আমি এখন কিছু বলতে পারবো না।

জামিনের বিষয় যদি আরও দীর্ঘায়িত হয় তাহলে কি আপনাদের তরফ থেকে কোনো উদ্যোগে থাকবে, জানতে চাইলে এ ব্যাপারে কোনো কিছু জানাতে রাজি হননি বেগম জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দুই বছর এক মাস ষোলো দিন কারাভোগের পর নির্বাহী আদেশে ছয় মাসের জামিন পেয়ে গুলশানের বাসায় অবস্থান করছেন বেগম খালেদা জিয়া।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *